রক্তি নিউজ
সর্বশেষ

নাটোরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এসআরবি'র প্রেস ব্রিফিং

নাটোর প্রতিনিধি নাটোরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখা বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছে এসআরবি। আজ ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে নাটোরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রী শ্রী জয় কালীবাড়ি প্রাঙ্গনে এই প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করে এসআরবি-৫ সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্প। প্রেস ব্রিফিং করেন এসআরবি নাটোর ক্যাম্পের কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় বিশ্বাস। প্রেস ব্রিফিং এ তিনি উল্লেখ করেন এসআরবির প্রত্যেকটির সদস্য পূজার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। যেকোনো সমস্যা সমাধানে দ্রুত তারা সমাধানের জন্য এগিয়ে আসবেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে কোনোভাবেই বিনষ্ট না হয় তার জন্য তারা সদা সচেতন থাকবেন। এইজন্যেই তিনি পূজা কমিটির লোকজনের ও সহায়তা কামনা করেন। তিনি জানান নারী শিশু এবং প্রতিবন্ধীরাও যাতে সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপন করতে পারেন এবং মন্দির পরিদর্শন করতে পারেন তার জন্যও বিশেষ সহায়তা থাকবে। শেষে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

‎জামালগঞ্জে দূর্গাপূজায় ৫৫মণ্ডপে এমপির অনুদান, সিসি ক্যামেরা ও সড়ক সংস্কারে প্রশাসনের সহায়তা

স্টাফ রিপোর্টারজামালগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজায় চলতি বছরে উপজেলার ৫৫টি পূজামণ্ডপে পাঁচ লাখ অনুদান দিয়েছেন সুনামগঞ্জ-১আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। এর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও মেরামত, সড়ক সংস্কার এবং ফেস্টুন সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ‎‎শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় পূজার সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও সমন্বয়ের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় জানানো হয়, উপজেলার ১১টি পূজামণ্ডপে নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি মণ্ডপের সিসি ক্যামেরা মেরামতে প্রতিটিকে তিন হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা এবং তিনটি পূজামণ্ডপের রাস্তা মেরামতে প্রতিটিকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সব ৫৫টি পূজামণ্ডপে ফেস্টুনও সরবরাহ করা হয়েছে। ‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদকের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন জামালগঞ্জ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অজিত কুমার রায়। ‎সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুর রহমান শান্ত, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা শিবেন্দ্র চন্দ্র পাল, উপজেলা বিএনপির দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার ও সমাজকর্মী আব্দুর রব উপস্থিত ছিলেন। ‎‎এ ছাড়া জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান, আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তৌফিকুল ইসলাম তালুকদার, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ সাজিব, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি সমরেন্দ্র আচার্য শম্ভু, পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক নিরাঞ্জন দেবনাথ ও সদস্যসচিব পীযূষ কান্তি তালুকদার সভায় অংশ নেন। ‎ ‎সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার শ্রীকান্ত তালুকদারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজন। ‎‎সভায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আয়োজকদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদ্‌যাপনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়েও আলোচনা হয়। 

‎জামালগঞ্জে দূর্গাপূজায় ৫৫মণ্ডপে এমপির অনুদান, সিসি ক্যামেরা ও সড়ক সংস্কারে প্রশাসনের সহায়তা

তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী শনিবারে খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে

তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী শনিবারে খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে

তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী শনিবারে খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

এআইয়ের কাছে যে পাঁচ পরামর্শ কখনোই চাওয়া উচিৎ নয়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আমাদের কারও বন্ধু নয়। এটি আমাদের গোপনীয়তাও রক্ষা করে না। অথচ আমাদের অনেকেই বিভিন্ন তথ্য দিয়ে এআইয়ের কাছে পরামর্শ চায়। কিন্তু টেক বিশেষজ্ঞরা সবসময় বলে আসছেন, চ্যাটবটকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত নয়। ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চ্যাটবটের কাছে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার মানে বড় ধরনের ঝুঁকি। আমরা হয়তো ছোট একটি সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন শুরু করি, কিন্তু তারপর ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত, চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ও জিজ্ঞেস করতে শুরু করি। এতে সেই ব্যক্তির তথ্য ফাঁস বা অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ে। সবকিছু বলার সমস্যা কী মূলত এআই চ্যাটবটগুলো আমাদের কথোপকথন থেকে শেখে। এমনকি আমরা যা লিখছি তা কোনো কোম্পানি, ডেভেলপার, এমনকি বিজ্ঞাপনদাতার কাছেও যেতে পারে। এছাড়া যাদের কাছে ডিভাইস বা অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস আছে, তারাও এই চ্যাট দেখতে পারে। এছাড়া এআই আমাদের ভুল তথ্য দিতে পারে। হয়তো অর্থসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করছি, তবে তার উত্তর পাচ্ছি ভুল। এই ভুল উত্তর আমাদের সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক সময় এআই তোষামোদি আচরণ করে। মানে আমাদের মন্তব্য বা ধারণার সঙ্গে একমত হতে চায়। এতে আমাদের ভুল ধারণাগুলো আরও শক্ত হয়। সব ধরনের বিষয়ে এআইয়ের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ বা কার্যকর নয় বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই কখনোই মানুষের প্রকৃত বিকল্প বা সত্যিকারের বন্ধু হতে পারে না। বিশেষ করে সৌন্দর্য, আবেগ, আত্মমর্যাদা ও অর্থসংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয়ে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। এ কারণে এআইয়ের কাছে নিচের ৫ ধরনের পরামর্শ না চাওয়াই ভালো- চেহারা ও সৌন্দর্যের মূল্যায়ন: চেহারার সৌন্দর্য বা পোশাক নিয়ে এআইয়ের কাছে মতামত চাওয়া নিরর্থক। বাণিজ্যিক অ্যালগরিদমের কারণে এটি সাধারণত ব্যবহারকারীকে খুশি রাখার চেষ্টা করে। বাস্তব জীবনের একজন বন্ধু যেমন সত্যিটা বলে দিতে পারে, এআই তা পারে না। আবেগ ও ভালোবাসার বিচার: কেউ আপনাকে ভালোবাসে কিনা-এমন প্রশ্নের উত্তরে এআই কৃত্রিম সহানুভূতি দেখাতে পারে। কিন্তু মানুষের জটিল অনুভূতি বোঝা বা হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করার সক্ষমতা এর নেই। আবেগগত সহায়তার জন্য এআইয়ের বদলে কোনো বন্ধু বা পেশাদার থেরাপিস্টের শরণাপন্ন হওয়াই শ্রেয়। বুদ্ধিমত্তা ও আত্মমর্যাদা: নিজের বুদ্ধিমত্তা বা যোগ্যতা মাপার জন্য এআইয়ের ওপর নির্ভর করা এক ধরনের ভ্রান্তি। এআই সুবিশাল তথ্যের ভাণ্ডার হলেও এটি কোনো অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়। আর্থিক পরামর্শ: অর্থসংক্রান্ত বা জীবনের জটিল সিদ্ধান্তে এআই অনেক সময় বাস্তবসম্মত হিসাবের বদলে দার্শনিক উত্তর দেয়। তাই আর্থিক হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে পেশাদার হিসাবরক্ষক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। বাস্তব জীবনের সামাজিক ও মানবিক সাহায্য: এআই কোনো রেসিপি তৈরি বা রান্নার টিপস দিতে পারলেও সরাসরি থালা-বাসন মেজে দিতে পারে না। বিপদের দিনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি ঠিক করা বা ছোট ছোট মানবিক ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া এআইয়ের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো নিজস্ব ইচ্ছা বা অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে চলে না; এটি মূলত সার্ভার সংযোগ ও ডেটার ওপর নির্ভরশীল। এআই-কে বন্ধু বা জীবনের আশ্রয় ভাবা একটি ‘ডিজিটাল বিভ্রম’ ছাড়া আর কিছুই নয়। আসল সামাজিক সম্পর্ক, মানুষের সহানুভূতি ও বাস্তব জীবনের বন্ধন ডিজিটাল জগতের কৃত্রিম প্রশংসার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ও কার্যকর। আগে তথ্য শেয়ার করলে এখন করণীয় চ্যাটবটে প্রবেশ করে আগের চ্যাট হিস্ট্রি ডিলিট করতে হবে। মেমোরি ডিলিট করতে হবে। একইসঙ্গে এআইকে ‘ভুতে যেতে’ বলতে হবে। আর নিজের প্রাইভেসি সেটিংস পরিবর্তন করে নিতে হবে। তবে কিছু ডেটা ব্যাকআপ কিছুদিন থাকতে পারে। এআই থেকে নিরাপদ থাকতে ‘টেম্পোরারি চ্যাট’ ব্যবহার করতে হবে। ডেটা শেয়ারিং বন্ধ করা দরকারি। চ্যাটবটের বদলে সাধারণ ব্রাউজার ব্যবহার করা। সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো ব্যক্তিগত কোনো তথ্য শেয়ার না করা।  

২৪ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। গত শনিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়েছে। এতে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। গত ২২ আগস্ট সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়। সমন্বিত ওই দামে আজ সোমবারও বিক্রি হবে স্বর্ণ। এর আগে, গত ২০ আগস্ট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়ানো হয়। এতে তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাড়ায় ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫১ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের রায় অস্বীকার করার পরিণতি ভালো হবে না, কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াত আমীর

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ,কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ):গণভোটে জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে দেওয়া জনগণের রায় অস্বীকার করার পরিণতি ভালো হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মো. রমজান আলী। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে তৎকালীন বিরোধীরা এই সনদের পক্ষে অবস্থান নিলেও ক্ষমতায় আসার পর তাদের অবস্থানে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বাজরা বাসস্ট্যান্ডের আসাদ সুপার মার্কেটের নীচ তলায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী দেশব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুলিয়ারচর উপজেলা জামায়াত এ সভার আয়োজন করে।অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, "দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে জুলাই সনদের পক্ষে মতামত দিয়ে সংবিধান সংস্কারের স্পষ্ট রায় দিয়েছিল। কিন্তু সরকার এখন সেই রায়কে আমলে নিচ্ছে না। জনগণের স্পষ্ট রায়কে অস্বীকার করার পরিণাম কখনো ভালো হতে পারে না।"নির্বাচনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থানের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকেও জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিষয়টি বাস্তবায়নে তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসা জনগণের রায়ের সাথে স্পষ্ট অসংগতিপূর্ণ ও বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জেলা জামায়াত আমীর বলেন, "রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছিল। একজন দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত সরকারের যেকোনো জনকল্যাণমূলক কাজে যেমন সহযোগিতা করবে, তেমনই জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানাবে।"বক্তব্যে তিনি দেশের বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করেন। পাশাপাশি, একটি নির্দিষ্ট আইনকে ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে সংসদে জামায়াতের সংসদ সদস্যদের জোরালো প্রতিবাদের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।এসময় কুলিয়ারচর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নায়েবে আমীর মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদীর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মেহেদী হাসান, কুলিয়ারচর পৌর শাখার সভাপতি হারুনউর রশীদ, রামদী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. মাহতাব উদ্দিন, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম সজিব, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মুহাম্মদ নূরুল আলম এবং সৌদি প্রবাসী রুকন মোস্তফা কামাল সিরাজীসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।এরপর দুপুরে উপজেলার ডুমরাকান্দা বাজারের জনতা ক্লাবে সালুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে দ্বিতীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সালুয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও উপজেলা সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এতেও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমির মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদী।অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুলিয়ারচর উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মশিউর রহমান মহসিনের নাম ঘোষণা করেন।এছাড়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন-গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুদ্দিন ইসলাম তুহিন ও সালুয়া ইউনিয়নে সৌদি প্রবাসী রুকন মোস্তফা কামাল সিরাজী। দলীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় রামদী ও ফরিদপুর ইউনিয়নের প্রার্থীর নাম পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

নতুন পে-স্কেলে বাড়ি ভাড়া সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ

নতুন পে-স্কেলে বাড়ি ভাড়া সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ বিভাগ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি এলাকা ও গ্রেড ভেদে বাড়ি ভাড়ার হারও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চাকরি করা গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪৫ শতাংশ। আর গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়ার হার কিছুটা কম। এসব এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। একই এলাকায় গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা পাবেন মূল বেতনের ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া। অন্যান্য এলাকার জন্য গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ হারে। এ ছাড়া গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের রায় অস্বীকার করার পরিণতি ভালো হবে না, কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াত আমীর

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের রায় অস্বীকার করার পরিণতি ভালো হবে না, কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াত আমীর

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ,কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ):গণভোটে জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে দেওয়া জনগণের রায় অস্বীকার করার পরিণতি ভালো হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মো. রমজান আলী। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে তৎকালীন বিরোধীরা এই সনদের পক্ষে অবস্থান নিলেও ক্ষমতায় আসার পর তাদের অবস্থানে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বাজরা বাসস্ট্যান্ডের আসাদ সুপার মার্কেটের নীচ তলায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী দেশব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুলিয়ারচর উপজেলা জামায়াত এ সভার আয়োজন করে।অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, "দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে জুলাই সনদের পক্ষে মতামত দিয়ে সংবিধান সংস্কারের স্পষ্ট রায় দিয়েছিল। কিন্তু সরকার এখন সেই রায়কে আমলে নিচ্ছে না। জনগণের স্পষ্ট রায়কে অস্বীকার করার পরিণাম কখনো ভালো হতে পারে না।"নির্বাচনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থানের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকেও জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিষয়টি বাস্তবায়নে তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসা জনগণের রায়ের সাথে স্পষ্ট অসংগতিপূর্ণ ও বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জেলা জামায়াত আমীর বলেন, "রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছিল। একজন দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত সরকারের যেকোনো জনকল্যাণমূলক কাজে যেমন সহযোগিতা করবে, তেমনই জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানাবে।"বক্তব্যে তিনি দেশের বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করেন। পাশাপাশি, একটি নির্দিষ্ট আইনকে ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে সংসদে জামায়াতের সংসদ সদস্যদের জোরালো প্রতিবাদের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।এসময় কুলিয়ারচর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নায়েবে আমীর মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদীর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মেহেদী হাসান, কুলিয়ারচর পৌর শাখার সভাপতি হারুনউর রশীদ, রামদী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. মাহতাব উদ্দিন, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম সজিব, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মুহাম্মদ নূরুল আলম এবং সৌদি প্রবাসী রুকন মোস্তফা কামাল সিরাজীসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।এরপর দুপুরে উপজেলার ডুমরাকান্দা বাজারের জনতা ক্লাবে সালুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে দ্বিতীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সালুয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও উপজেলা সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এতেও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমির মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদী।অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুলিয়ারচর উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মশিউর রহমান মহসিনের নাম ঘোষণা করেন।এছাড়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন-গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুদ্দিন ইসলাম তুহিন ও সালুয়া ইউনিয়নে সৌদি প্রবাসী রুকন মোস্তফা কামাল সিরাজী। দলীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় রামদী ও ফরিদপুর ইউনিয়নের প্রার্থীর নাম পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

ধর্মপাশার পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে-হারুন অর রশিদ

ধর্মপাশার পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে-হারুন অর রশিদ

ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন বাদশাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক, কারা নির্যাতিত নেতা  মোঃ হারুন -অর- রশিদ সরকার। তিনি  পাইকুরাটি ইউনিয়নের  বৌলাম গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ সরকারের কৃতি সন্তান। তার রাজনৈতিক পরিচিতি হলো, ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  সাবেক সম্মানিত সদস্য, সাবেক সদস্য সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি, সাবেক সহ সভাপতি ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপি, সাবেক আহবায়ক পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপি, বর্বমান যুগ্ন আহবায়ক পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপি হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। আগামী ১১ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং রোজ শুক্রবার ৩ নং পাইকুরাটি ইউনিয়ন শাখার দ্বি- বার্ষীক সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে পাইকুরাটি ইউনিয়নের বিএনপির সকল নেতা কর্মীর  কাছে  ছাতা প্রতীকে ভোট দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তিমি আরো বলেন তারুণ্যের অহংকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রেসিডেন্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল সাহেবের দিক নির্দেশনায় আগামী  সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবো।

বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা

বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা

স্টাফ রিপোর্টারসুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটি সাধারণ সম্পাদকসহ দলটির ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টায় মামলাটি থানায় রুজু করা হয়। মামলাটির বাদী হয়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের সোহাগ তালুকদার (৩৮)।নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে এই মামলা হয়।মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন-বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. তৈয়বুর রহমান, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক মেহেদী হাসান সাকিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত জামিল এবং বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খালেদ তালুকদার।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় জামিয়া আবু হুরাইরা (রা.) এতিমখানা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় আসামিরা নাশকতার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার এসআই (নিরস্ত্র) মো. আকতার হোসেনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

নতুন রাষ্ট্রপতিকে জড়িয়ে ধরে শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের

নতুন রাষ্ট্রপতিকে জড়িয়ে ধরে শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচন শেষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে এ ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।  ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পাশে বসে থাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা ছুটে এসে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন। এসময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তার সঙ্গে হাত মেলান ও কোলাকুলি করেন। এর আগে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়, ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এ নির্বাচনে ভোটার ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকাল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচনে বিজয়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পান।

নতুন পে-স্কেলে বাড়ি ভাড়া সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ

নতুন পে-স্কেলে বাড়ি ভাড়া সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ বিভাগ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি এলাকা ও গ্রেড ভেদে বাড়ি ভাড়ার হারও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চাকরি করা গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪৫ শতাংশ। আর গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়ার হার কিছুটা কম। এসব এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। একই এলাকায় গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা পাবেন মূল বেতনের ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া। অন্যান্য এলাকার জন্য গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ হারে। এ ছাড়া গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

নতুন পে-স্কেলে বাড়ি ভাড়া সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ

নতুন পে-স্কেলে বাড়ি ভাড়া সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ বিভাগ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি এলাকা ও গ্রেড ভেদে বাড়ি ভাড়ার হারও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চাকরি করা গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪৫ শতাংশ। আর গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়ার হার কিছুটা কম। এসব এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। একই এলাকায় গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা পাবেন মূল বেতনের ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া। অন্যান্য এলাকার জন্য গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ হারে। এ ছাড়া গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।