রক্তি নিউজ
সর্বশেষ

আর্জেন্টিনা দল থেকে মেসির অবসর

আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর দেখা যাবে না লিওনেল মেসিকে। সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে মেসি এক খোলা চিঠিতে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ‘ফাইনালের পর এতটা সময় পেরিয়ে গেছে। অনেক ভেবেচিন্তে আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব কষ্টের ছিল, এখনও হৃদয়ের গভীরে সেই কষ্ট রয়েছে। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, এখনই সেই সময়। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আমি সবসময় আমার সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেছি। শুধু গত কয়েক বছরে নয়, তারও অনেক আগে থেকে। সবসময় এই জার্সির জন্য লড়েছি, নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি—আপনাদের আনন্দ দিতে এবং ফুটবলের মাধ্যমে যেন আপনারা আর্জেন্টাইন হওয়ার জন্য গর্ববোধ করেন, সেই চেষ্টা করেছি। আর বেশি সময় বাকি নেই, একের পর এক অধ্যায় শেষ হয়ে আসছে, আর এটাও এমনই একটি অধ্যায়—যেটা আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। আমি ভালোবাসি, ভালোবেসেছি এবং সারাজীবন ভালোবেসে যাব জাতীয় দলের হয়ে খেলাকে। আমি নিজেকে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দিয়েছি। এখন আর দেওয়ার মতো কিছুই আমার অবশিষ্ট নেই। তার ওপর আমার পেছনে দারুণ কিছু তরুণ খেলোয়াড় আসছে, যারা জাতীয় দলে থাকার যোগ্য। গত ২০ বছর ধরে আপনারা যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। মাঠের ভেতর থেকে আপনাদের কণ্ঠ শুনতে আমি ভীষণ মিস করব। এখন আমি আপনাদেরই একজন হয়ে যাব—বাইরে থেকে সবসময় সমর্থন করব, পাশে থাকব। (ভালো সময়ে এবং খারাপ সময়ে, বিশেষ করে খারাপ সময়ে আরও বেশি।) আমার পরিবারের প্রতি ধন্যবাদ, সবসময় আমার পাশে থাকার জন্য এবং এই সুন্দর অথচ কঠিন যাত্রায় আমার সঙ্গে থাকার জন্য। যেসব কোচ, সতীর্থ এবং কর্মকর্তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আমি সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি অসংখ্য স্মৃতি এবং জীবনের কিছু অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। আমি এই শান্তি ও গর্ব নিয়ে বিদায় নিচ্ছি যে, আমার সতীর্থদের সঙ্গে মিলে আপনাদের এমন কিছু স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিতে পেরেছি, যেগুলো আমরা সবাই কল্পনা করেছিলাম। আপনাদের সঙ্গে সেগুলো বেঁচে থাকা সত্যিই এক অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমি আপনাদের ভালোবাসি! আমাকে আর্জেন্টাইন বানানোর জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। চলো, আর্জেন্টিনা!চলো আর্জেন্টিনা! *এই কথাগুলো আমি ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর লিখেছিলাম। আজ আমার বাবার সঙ্গে যা ঘটেছে, তার পর আমি আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত যে আমার সিদ্ধান্ত সঠিক।’

মধ্যনগরে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল ৪৮ জনের নামে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার- ‎সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের মিছিল করার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ‎ ‎সোমবার (৩১ আগস্ট) মধ্যনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহাজাহান মিয়া। তিনি উপজেলার কার্তিকপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। ‎ ‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের বাঙ্গালভিটা এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। ‎ ‎মামলায় আসামীদের নাম- এখলাছুর রহমান তারা মিয়া, আজিজুল হক, এমরান হোসেন বিপক, রাজন মিয়া, রাজন চন্দ্র, রোমান মিয়া, সাজিদ মিয়া, সুজন মিয়া, জুয়েল আখঞ্জী, সুজিত, শাহিন মিয়া, ইমন মিয়া, জিয়া উদ্দিন, মহিবুর রহমান, নজির হোসেন, আল আমিন, মুশাহিদ হোসেন রানু, হাসান মিয়া, জাবের আহমদ, শামীম আহমদ, সেলিম ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, শাকিল আহমদ লিজান, জুনায়েদ মিয়া, কাদের পাশা, আলী হোসেন, শাহজাহান চৌধুরী, জাহাঙ্গীর মিয়া, ইকবাল হোসেন, সোহাগ মিয়া, রাসেল, ফারুক মিয়া, কবির মিয়া, সাজ্জাত, শাখাওয়াত হোসেন শিপন, আঙ্গুর মিয়া, এমরুল হাসান, মিয়া হোসেন, লিমন মিয়া, লিক্সন মিয়া, জাহেদ মিয়া, জোটন রায় জনি, আব্দুল আমিন, জিলানী, জাহেদ মিয়া, রাসেল আহমেদ, কবির মিয়া ও সজিবের নাম রয়েছে। ‎ ‎এদিকে মামলায় তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত  কালবেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকতের নাম রয়েছে । তিনি দাবি করেন, মিছিলের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলেও উপস্থিত ছিলেন না। তার অভিযোগ, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। ‎ ‎মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাবুদ্দিন শাহিন বলেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হবে। তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

মধ্যনগরে নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল ৪৮ জনের নামে মামলা

সুনামগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিসুনামগঞ্জে ২৮ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ান (বিজিবি)র সদস্যসহ র্ট্রাস্কফোর্সের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে একটি কাভার্ডভ্যানসহ বিপুল পরিমান ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি। সোমবার ভোররাতে সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার শান্তিগঞ্জ এলাকা থেকে এসব ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়। দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ২৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শান্তিগঞ্জ এলাকায় ট্রাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় একটি কাভার্ড ভ্যানসহ ২৬৮৪ পিস বিভিন্ন প্রকার উন্নতমানের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক সিজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা। এদিকে সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধ বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে জানিয়ে আটককৃত ভারতীয় শাড়ি সুনামগঞ্জের শুল্ক কার্যালয়ে জমা করা হয়েছে বলেও জানান বিজিবি’র এই কর্মকর্তা।

সুনামগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

এআইয়ের কাছে যে পাঁচ পরামর্শ কখনোই চাওয়া উচিৎ নয়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আমাদের কারও বন্ধু নয়। এটি আমাদের গোপনীয়তাও রক্ষা করে না। অথচ আমাদের অনেকেই বিভিন্ন তথ্য দিয়ে এআইয়ের কাছে পরামর্শ চায়। কিন্তু টেক বিশেষজ্ঞরা সবসময় বলে আসছেন, চ্যাটবটকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত নয়। ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চ্যাটবটের কাছে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার মানে বড় ধরনের ঝুঁকি। আমরা হয়তো ছোট একটি সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন শুরু করি, কিন্তু তারপর ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত, চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ও জিজ্ঞেস করতে শুরু করি। এতে সেই ব্যক্তির তথ্য ফাঁস বা অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ে। সবকিছু বলার সমস্যা কী মূলত এআই চ্যাটবটগুলো আমাদের কথোপকথন থেকে শেখে। এমনকি আমরা যা লিখছি তা কোনো কোম্পানি, ডেভেলপার, এমনকি বিজ্ঞাপনদাতার কাছেও যেতে পারে। এছাড়া যাদের কাছে ডিভাইস বা অ্যাকাউন্টের অ্যাক্সেস আছে, তারাও এই চ্যাট দেখতে পারে। এছাড়া এআই আমাদের ভুল তথ্য দিতে পারে। হয়তো অর্থসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করছি, তবে তার উত্তর পাচ্ছি ভুল। এই ভুল উত্তর আমাদের সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক সময় এআই তোষামোদি আচরণ করে। মানে আমাদের মন্তব্য বা ধারণার সঙ্গে একমত হতে চায়। এতে আমাদের ভুল ধারণাগুলো আরও শক্ত হয়। সব ধরনের বিষয়ে এআইয়ের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ বা কার্যকর নয় বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই কখনোই মানুষের প্রকৃত বিকল্প বা সত্যিকারের বন্ধু হতে পারে না। বিশেষ করে সৌন্দর্য, আবেগ, আত্মমর্যাদা ও অর্থসংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয়ে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। এ কারণে এআইয়ের কাছে নিচের ৫ ধরনের পরামর্শ না চাওয়াই ভালো- চেহারা ও সৌন্দর্যের মূল্যায়ন: চেহারার সৌন্দর্য বা পোশাক নিয়ে এআইয়ের কাছে মতামত চাওয়া নিরর্থক। বাণিজ্যিক অ্যালগরিদমের কারণে এটি সাধারণত ব্যবহারকারীকে খুশি রাখার চেষ্টা করে। বাস্তব জীবনের একজন বন্ধু যেমন সত্যিটা বলে দিতে পারে, এআই তা পারে না। আবেগ ও ভালোবাসার বিচার: কেউ আপনাকে ভালোবাসে কিনা-এমন প্রশ্নের উত্তরে এআই কৃত্রিম সহানুভূতি দেখাতে পারে। কিন্তু মানুষের জটিল অনুভূতি বোঝা বা হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করার সক্ষমতা এর নেই। আবেগগত সহায়তার জন্য এআইয়ের বদলে কোনো বন্ধু বা পেশাদার থেরাপিস্টের শরণাপন্ন হওয়াই শ্রেয়। বুদ্ধিমত্তা ও আত্মমর্যাদা: নিজের বুদ্ধিমত্তা বা যোগ্যতা মাপার জন্য এআইয়ের ওপর নির্ভর করা এক ধরনের ভ্রান্তি। এআই সুবিশাল তথ্যের ভাণ্ডার হলেও এটি কোনো অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়। আর্থিক পরামর্শ: অর্থসংক্রান্ত বা জীবনের জটিল সিদ্ধান্তে এআই অনেক সময় বাস্তবসম্মত হিসাবের বদলে দার্শনিক উত্তর দেয়। তাই আর্থিক হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে পেশাদার হিসাবরক্ষক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। বাস্তব জীবনের সামাজিক ও মানবিক সাহায্য: এআই কোনো রেসিপি তৈরি বা রান্নার টিপস দিতে পারলেও সরাসরি থালা-বাসন মেজে দিতে পারে না। বিপদের দিনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি ঠিক করা বা ছোট ছোট মানবিক ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া এআইয়ের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো নিজস্ব ইচ্ছা বা অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে চলে না; এটি মূলত সার্ভার সংযোগ ও ডেটার ওপর নির্ভরশীল। এআই-কে বন্ধু বা জীবনের আশ্রয় ভাবা একটি ‘ডিজিটাল বিভ্রম’ ছাড়া আর কিছুই নয়। আসল সামাজিক সম্পর্ক, মানুষের সহানুভূতি ও বাস্তব জীবনের বন্ধন ডিজিটাল জগতের কৃত্রিম প্রশংসার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ও কার্যকর। আগে তথ্য শেয়ার করলে এখন করণীয় চ্যাটবটে প্রবেশ করে আগের চ্যাট হিস্ট্রি ডিলিট করতে হবে। মেমোরি ডিলিট করতে হবে। একইসঙ্গে এআইকে ‘ভুতে যেতে’ বলতে হবে। আর নিজের প্রাইভেসি সেটিংস পরিবর্তন করে নিতে হবে। তবে কিছু ডেটা ব্যাকআপ কিছুদিন থাকতে পারে। এআই থেকে নিরাপদ থাকতে ‘টেম্পোরারি চ্যাট’ ব্যবহার করতে হবে। ডেটা শেয়ারিং বন্ধ করা দরকারি। চ্যাটবটের বদলে সাধারণ ব্রাউজার ব্যবহার করা। সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো ব্যক্তিগত কোনো তথ্য শেয়ার না করা।  

২৪ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। গত শনিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়েছে। এতে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। গত ২২ আগস্ট সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়। সমন্বিত ওই দামে আজ সোমবারও বিক্রি হবে স্বর্ণ। এর আগে, গত ২০ আগস্ট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়ানো হয়। এতে তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাড়ায় ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫১ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা

স্টাফ রিপোর্টারসুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটি সাধারণ সম্পাদকসহ দলটির ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টায় মামলাটি থানায় রুজু করা হয়। মামলাটির বাদী হয়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের সোহাগ তালুকদার (৩৮)।নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে এই মামলা হয়।মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন-বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. তৈয়বুর রহমান, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক মেহেদী হাসান সাকিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত জামিল এবং বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খালেদ তালুকদার।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় জামিয়া আবু হুরাইরা (রা.) এতিমখানা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় আসামিরা নাশকতার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার এসআই (নিরস্ত্র) মো. আকতার হোসেনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ

আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন, এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাসসকে এ তথ্য জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নভেম্বরকে টার্গেট করে কাজ আগানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী নভেম্বর মাস ধরেই আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করে এনেছি।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের মৌসুম হচ্ছে নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল মাস। এই টাইমটা হলো নির্বাচনের উপযুক্ত সময়। এর মধ্যে পূজা থাকবে, ঈদ, রমজান থাকবে, এগুলো বাদ দিয়ে এইটা হলো নির্বাচনের মৌসুম।’ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগে করার বিষয়ে ইসির নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানান রহমানেল মাছউদ।

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা

বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা

স্টাফ রিপোর্টারসুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটি সাধারণ সম্পাদকসহ দলটির ১৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে নাশকতার মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টায় মামলাটি থানায় রুজু করা হয়। মামলাটির বাদী হয়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের সোহাগ তালুকদার (৩৮)।নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে এই মামলা হয়।মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন-বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. তৈয়বুর রহমান, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক মেহেদী হাসান সাকিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত পলিন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত জামিল এবং বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খালেদ তালুকদার।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় জামিয়া আবু হুরাইরা (রা.) এতিমখানা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় আসামিরা নাশকতার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার এসআই (নিরস্ত্র) মো. আকতার হোসেনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

নতুন রাষ্ট্রপতিকে জড়িয়ে ধরে শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের

নতুন রাষ্ট্রপতিকে জড়িয়ে ধরে শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচন শেষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে এ ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।  ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পাশে বসে থাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যরা ছুটে এসে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন। এসময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তার সঙ্গে হাত মেলান ও কোলাকুলি করেন। এর আগে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়, ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এ নির্বাচনে ভোটার ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকাল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচনে বিজয়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পান।

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে ‘চোখে চোখে’ নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মতো তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’ রোববার (১৬ আগস্ট) বিকালে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠান হয়। এতে জেলার নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের মধ্যে সন্মানি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া অস্বচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক অনুদানের চেকও দেন তিনি। একজন প্রতিবন্ধীর হাতে তুলে দেন চাকরির নিয়োগপত্র। প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটকালে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ‘এরা অতীতে কী করেছে তা বিবেচনায় নিয়ে এদের চোখে চোখে রাখতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলী এবং বিগত ১৭ বছরের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না।’ তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরাই গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। সাম্প্রতিক ‘সংস্কার’ সংক্রান্ত আলোচনার প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে অনুপস্থিত থেকে যারা আজ সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়।’ জনকল্যাণমূলক অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন মিল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষকে পেছনে রেখে বা তাদর সঠিকভাবে তৈরি করতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারা যাবে না। আমরা যত যতই বড় স্লোগান দেই না কেন, মানুষকে যদি আমরা আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে না পারি, দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে যদি আমরা অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে কখনোই আমরা দেশকে গড়ে তুলতে পারবো না।’ অন্য কোনো দেশের অনুকরণে নয়, বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এমন এক বাংলাদেশ তৈরি করা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি শ্রেণীর মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে তার প্রাপ্য মর্যাদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা পাবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের পেছনে ফেলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও ক্ষমতায়িত করতেই ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হবে। নারীদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। সে লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ১৩ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।’ ‘এছাড়া সেচ সুবিধা ও পানি সংকট দূরীকরণে আগামীতে দেশব্যাপী আড়াইশ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’ শিক্ষাব্যবস্থা উন্নতকরনে ও তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং ভাষার দক্ষতায় পারদর্শী করে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চালু করা ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা পুনরায় চালু করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ মেধা ও প্রতিভাকে সঠিকভাবে বিকাশ ঘটাতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।’ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘সমাজের দিকনির্দেশক হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের আত্মনির্ভরশীল রাখতে বিশেষ সামাজিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি অসচ্ছল, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারের সময় বঞ্চনার শিকার ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষকের অবসর ভাতার জটিলতা নিরসন করে অর্থ প্রদান সম্পন্ন করেছে বর্তমান বিএনপি সরকার।’ বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  বিএনপি জনগণের কল্যাণে এমন রাজনীতি করে, যে রাজনীতি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, শিক্ষায় সহায়তা দেয়, কৃষকের ফসল বাড়াতে ভূমিকা রাখে এবং কলকারখানা গড়ে তোলে- সেটিই বিএনপির রাজনীতি। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং এই উন্নয়ন যাত্রার প্রত্যক্ষ সাক্ষী দেশের সাধারণ মানুষ। তিনি বলেন, ‘অর্থাৎ আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের জন্য কাজ করা, মানুষের জন্য কাজ করা। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারলেই একমাত্র দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা যাবে।’ সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান, মাজহারুল ইসলাম, জালাল উদ্দীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িবহরে হামলা করেছে বিএনপির নেতা–কর্মীরা, অভিযোগ নাহিদের

নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িবহরে হামলা করেছে বিএনপির নেতা–কর্মীরা, অভিযোগ নাহিদের

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরা অতর্কিত ও সশস্ত্র হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাঁর ভেরিফায়েড পেজ থেকে দেওয়া অ্যাডমিন পোস্টে এ অভিযোগ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে অতর্কিত ও সশস্ত্র হামলা করেছে স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরা। এতে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন। দুর্ভাগ্যবশত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে এই হামলা হয়েছে।’ ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ‘এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাসটিকে হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভেতর নিয়ে এমন ন্যক্কারজনক কাণ্ড ঘটিয়েছে তারা। কেবল মাইক্রোবাস ভেঙ্গেই তারা ক্ষান্ত হয়নি; মোবাইল ফোন এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’ এই ঘটনাকে ‘ন‍্যাক্কারজনক’ আখ্যা দিয়ে হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে তিনি অতি দ্রুত ‘সন্ত্রাসীদের’ গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে জুলাই পদযাত্রা করছেন এনসিপির নেতারা। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম হবিগঞ্জে যান।

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ

আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন, এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাসসকে এ তথ্য জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নভেম্বরকে টার্গেট করে কাজ আগানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী নভেম্বর মাস ধরেই আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করে এনেছি।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের মৌসুম হচ্ছে নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল মাস। এই টাইমটা হলো নির্বাচনের উপযুক্ত সময়। এর মধ্যে পূজা থাকবে, ঈদ, রমজান থাকবে, এগুলো বাদ দিয়ে এইটা হলো নির্বাচনের মৌসুম।’ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগে করার বিষয়ে ইসির নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানান রহমানেল মাছউদ।

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ

আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন, এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাসসকে এ তথ্য জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নভেম্বরকে টার্গেট করে কাজ আগানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী নভেম্বর মাস ধরেই আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করে এনেছি।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের মৌসুম হচ্ছে নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল মাস। এই টাইমটা হলো নির্বাচনের উপযুক্ত সময়। এর মধ্যে পূজা থাকবে, ঈদ, রমজান থাকবে, এগুলো বাদ দিয়ে এইটা হলো নির্বাচনের মৌসুম।’ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগে করার বিষয়ে ইসির নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানান রহমানেল মাছউদ।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।