রক্তি নিউজ

সারাদেশ

‎ভূমি ও পারিবারিক বিরোধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রফিকুল ইসলামের

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
‎ভূমি ও পারিবারিক বিরোধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রফিকুল ইসলামের
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন-রফিকুল ইসলাম বীন বারী

‎ভূমি ও পারিবারিক বিরোধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রফিকুল ইসলামের
‎নিজস্ব প্রতিবেদক::
‎সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শাহাপুর বাঁধ বাজারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন মো. রফিকুল ইসলাম বিন বারী।
তিনি বলেন, গত ১ আগস্ট মো. কামাল উদ্দিনের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, সেগুলোর কোনো সত্যতা নেই। তিনি এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরেন।
‎রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৩ জুলাই জামালগঞ্জ মৌজার ৩৩৮ নম্বর খতিয়ানের ৮০২০ নম্বর দাগের জমির রেকর্ড মালিকানা তদন্তে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বাঁধ বাজার গেলে ফখরুল আলম চৌধুরী, কামাল উদ্দিনসহ কয়েকজন সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে কায়সার আহমেদ পল্লবকে মারধরের হুমকি দেওয়া হলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে তিনি ও স্থানীয়রা পরিস্থিতি শান্ত করেন। বিষয়টি সমাধানে ওয়াসিম চৌধুরী উদ্যোগ নিলেও অপর পক্ষের অনাগ্রহে তা সম্ভব হয়নি। তার দাবি, তদন্ত কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছিল। তাই তার নির্দেশে কামাল উদ্দিনকে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
‎তিনি আরও বলেন, কয়েক বছর আগে কামাল উদ্দিন ও আজিজুর রহমানের বাড়ি সংক্রান্ত বিরোধ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও কামাল উদ্দিন তা না মানায় তাদের নিজেদের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা হয়, যার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
‎সংবাদ সম্মেলনে ছোট বোন পারভিন আক্তারের দেনমোহরের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও অস্বীকার করেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, অভিযোগটি সত্য হলে এতদিনে পরিবারের অন্য সদস্যরা বিষয়টি জানতেন। তিনি দাবি করেন, ফরহাদ, খোকন ও ওয়াসিমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সহযোগিতা না করায় তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে পারভিন আক্তারের বাড়ির জায়গা অন্যের নামে দলিল করে দেওয়ার অভিযোগও তিনি নাকচ করে বলেন, ওই এলাকার কোনো জমিই তার মালিকানাধীন নয়। বরং পূর্বে পারভিন আক্তারের অনুরোধে ওয়াসিম চৌধুরীর সঙ্গে আপস-মীমাংসা করে দেন, যা পরে আদালতের রায়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে।
‎মিজানুর রহমান চৌধুরী পলাশ ও পরাগ চৌধুরীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নেই। তবে পলাশ চৌধুরীর আগ্রাসী মনোভাব এবং ফুফুদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা পারিবারিক বিরোধকে জটিল করেছে। তিনি দাবি করেন, আব্দুল মান্নান চৌধুরী জীবদ্দশায় তার সম্পত্তি দুই মেয়ের মধ্যে বণ্টন করে দেন। এরপরও কয়েক মাস ধরে বিদেশে থাকা পলাশ চৌধুরী পরাগ চৌধুরীসহ অন্যদের মাধ্যমে ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন।
‎তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পরাগ চৌধুরী তার বাবা-মাকে মারধর করলে পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। ওই সময় কায়সার আহমেদের নামে কিছু সম্পত্তি হেবা দলিল করা হলেও সেই হেবা দলিলের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলে দাবি করেন।
শিরহান চৌধুরীর ভূমি সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৮৬ সালের দলিল অনুযায়ী পারিবারিক বণ্টনে তিনি ১ দশমিক ৫০ একর জমির অধিকারী হলেও তা এখনো অন্যরা ভোগদখল করছেন। সাচনা বাজারের দোকানভিটা অন্যরা পেলেও সেখানে তার কোনো অংশ নেই। ভবিষ্যতে বিরোধ এড়াতে তিনি নিজ খরচে জমি বণ্টনের দলিল সম্পন্ন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
‎তিনি আরও বলেন, জামালগঞ্জ মৌজার ৩৩৮ নম্বর খতিয়ানের ৮০২০ নম্বর দাগের ০.৬০২৪ একর জমির মধ্যে আব্দুল মান্নান চৌধুরীর অংশ ফায়ার সার্ভিস অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ দেয়। অবশিষ্ট জমির একটি অংশ মান্নান চৌধুরীর বোনকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং পরে তা তার ছেলে রিগান মাহমুদের নামে দলিল করা হয়। বাকি অংশ অন্য শরিকদের হাতে চলে না যাওয়ার জন্য কায়সার আহমেদের সঙ্গে বিনিময় দলিল করা হয়। তাই এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
‎রফিকুল ইসলাম জানান, ছোট চাচা মরহুম আব্দুল গনি চৌধুরী শাহাপুরের পৈত্রিক ভিটার তার রেকর্ডভুক্ত অংশ তাকে ও তার বড় ভাই আব্দুল মুকিত চৌধুরীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। এছাড়া শাহাপুরের ১১ শতাংশ জমি তাদের পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। পরিবারের সম্মতিতেই তিনি ও আরও কয়েকজন উত্তরাধিকারী নিজেদের অংশ বড় ভাইয়ের সন্তান ওয়াসিম, খোকন ও পায়েলের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। অন্য অংশীদারদের বিষয়ে তার কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান।

‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি যেকোনো স্থানে, যেকোনো বৈঠকে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বসতে প্রস্তুত আছেন। গণমাধ্যমকে সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটন করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

রক্তি নিউজ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


‎ভূমি ও পারিবারিক বিরোধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রফিকুল ইসলামের

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

‎ভূমি ও পারিবারিক বিরোধে অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রফিকুল ইসলামের
‎নিজস্ব প্রতিবেদক::
‎সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শাহাপুর বাঁধ বাজারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন মো. রফিকুল ইসলাম বিন বারী।
তিনি বলেন, গত ১ আগস্ট মো. কামাল উদ্দিনের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, সেগুলোর কোনো সত্যতা নেই। তিনি এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরেন।
‎রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৩ জুলাই জামালগঞ্জ মৌজার ৩৩৮ নম্বর খতিয়ানের ৮০২০ নম্বর দাগের জমির রেকর্ড মালিকানা তদন্তে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বাঁধ বাজার গেলে ফখরুল আলম চৌধুরী, কামাল উদ্দিনসহ কয়েকজন সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে কায়সার আহমেদ পল্লবকে মারধরের হুমকি দেওয়া হলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে তিনি ও স্থানীয়রা পরিস্থিতি শান্ত করেন। বিষয়টি সমাধানে ওয়াসিম চৌধুরী উদ্যোগ নিলেও অপর পক্ষের অনাগ্রহে তা সম্ভব হয়নি। তার দাবি, তদন্ত কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছিল। তাই তার নির্দেশে কামাল উদ্দিনকে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
‎তিনি আরও বলেন, কয়েক বছর আগে কামাল উদ্দিন ও আজিজুর রহমানের বাড়ি সংক্রান্ত বিরোধ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও কামাল উদ্দিন তা না মানায় তাদের নিজেদের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা হয়, যার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
‎সংবাদ সম্মেলনে ছোট বোন পারভিন আক্তারের দেনমোহরের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও অস্বীকার করেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, অভিযোগটি সত্য হলে এতদিনে পরিবারের অন্য সদস্যরা বিষয়টি জানতেন। তিনি দাবি করেন, ফরহাদ, খোকন ও ওয়াসিমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সহযোগিতা না করায় তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে পারভিন আক্তারের বাড়ির জায়গা অন্যের নামে দলিল করে দেওয়ার অভিযোগও তিনি নাকচ করে বলেন, ওই এলাকার কোনো জমিই তার মালিকানাধীন নয়। বরং পূর্বে পারভিন আক্তারের অনুরোধে ওয়াসিম চৌধুরীর সঙ্গে আপস-মীমাংসা করে দেন, যা পরে আদালতের রায়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে।
‎মিজানুর রহমান চৌধুরী পলাশ ও পরাগ চৌধুরীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নেই। তবে পলাশ চৌধুরীর আগ্রাসী মনোভাব এবং ফুফুদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা পারিবারিক বিরোধকে জটিল করেছে। তিনি দাবি করেন, আব্দুল মান্নান চৌধুরী জীবদ্দশায় তার সম্পত্তি দুই মেয়ের মধ্যে বণ্টন করে দেন। এরপরও কয়েক মাস ধরে বিদেশে থাকা পলাশ চৌধুরী পরাগ চৌধুরীসহ অন্যদের মাধ্যমে ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন।
‎তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পরাগ চৌধুরী তার বাবা-মাকে মারধর করলে পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। ওই সময় কায়সার আহমেদের নামে কিছু সম্পত্তি হেবা দলিল করা হলেও সেই হেবা দলিলের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলে দাবি করেন।
শিরহান চৌধুরীর ভূমি সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৮৬ সালের দলিল অনুযায়ী পারিবারিক বণ্টনে তিনি ১ দশমিক ৫০ একর জমির অধিকারী হলেও তা এখনো অন্যরা ভোগদখল করছেন। সাচনা বাজারের দোকানভিটা অন্যরা পেলেও সেখানে তার কোনো অংশ নেই। ভবিষ্যতে বিরোধ এড়াতে তিনি নিজ খরচে জমি বণ্টনের দলিল সম্পন্ন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
‎তিনি আরও বলেন, জামালগঞ্জ মৌজার ৩৩৮ নম্বর খতিয়ানের ৮০২০ নম্বর দাগের ০.৬০২৪ একর জমির মধ্যে আব্দুল মান্নান চৌধুরীর অংশ ফায়ার সার্ভিস অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ দেয়। অবশিষ্ট জমির একটি অংশ মান্নান চৌধুরীর বোনকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং পরে তা তার ছেলে রিগান মাহমুদের নামে দলিল করা হয়। বাকি অংশ অন্য শরিকদের হাতে চলে না যাওয়ার জন্য কায়সার আহমেদের সঙ্গে বিনিময় দলিল করা হয়। তাই এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
‎রফিকুল ইসলাম জানান, ছোট চাচা মরহুম আব্দুল গনি চৌধুরী শাহাপুরের পৈত্রিক ভিটার তার রেকর্ডভুক্ত অংশ তাকে ও তার বড় ভাই আব্দুল মুকিত চৌধুরীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। এছাড়া শাহাপুরের ১১ শতাংশ জমি তাদের পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। পরিবারের সম্মতিতেই তিনি ও আরও কয়েকজন উত্তরাধিকারী নিজেদের অংশ বড় ভাইয়ের সন্তান ওয়াসিম, খোকন ও পায়েলের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। অন্য অংশীদারদের বিষয়ে তার কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান।

‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি যেকোনো স্থানে, যেকোনো বৈঠকে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বসতে প্রস্তুত আছেন। গণমাধ্যমকে সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটন করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।


রক্তি নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. হাবিবুর রহমান।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত রক্তি নিউজ