শফিকুল ইসলাম শফিক,সুনামগঞ্জ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এলাকার পরিচিত মুখ ও বিএনপির রাজনীতির সাথে পরিপূর্ণভাবে জড়িত মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম আসাদ ।
তিনি এলাকার সাবেক জনপ্রিয় মেম্বার মরহুম মোঃ আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার সুযোগ্য সন্তান। বাবার জনসেবার আদর্শ বুকে ধারণ করেই আসাদ মানুষের সেবা করতে চান।
স্থানীয়ভাবে সৎ, বিনয়ী ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত আসাদ খুব শিগগিরই ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, যুব সমাজের বেকারত্ব ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিক ও প্রবীণ মুরব্বিরা বলেন, "আসাদ ছোটবেলা থেকেই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে। কোনোদিন কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি। সে বিএনপির নিবেদিত কর্মী এবং সাবেক মেম্বার আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। বাপ-বেটা দুইজনই জনগণের সেবক। আমাদের বিশ্বাস ও যদি মেম্বার হয়, তাহলে ৬নং ওয়ার্ডের চেহারা পাল্টে যাবে।
প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম আসাদ আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে বলেন,
"আমি এই মাটির সন্তান। এই ৬নং ওয়ার্ডের রাস্তায় আমি বড় হয়েছি। আমার বাবা মরহুম আব্দুল কুদ্দুস মিয়া এই ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন। উনি সারাজীবন মানুষের সেবা করে গেছেন। বাবার রেখে যাওয়া সেই আদর্শ নিয়েই আমি রাজনীতি করি।
আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে লালন করি। মানুষের কষ্ট আমি নিজের চোখে দেখেছি। গরীবের ঘরে খাবার নাই, ছেলেরা কাজ পায় না, রাস্তায় কাদা-পানি-এই কষ্টগুলো আমাকে ঘুমাতে দেয় না।
যদি আপনারা আমাকে আপনাদের সেবক হিসেবে সুযোগ দেন, আমি কথা দিচ্ছি - চেয়ারের লোভে নয়, মানুষের সেবার জন্য কাজ করব। বাবার মতোই সবার বিপদে-আপদে পাশে থাকব। রাত ১২টায়ও যদি কেউ ডাক দেয়, আসাদকে পাশে পাবেন। আমার দরজা সবার জন্য খোলা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, "আমার কোনো বড় নেতা নাই, টাকা নাই। আমার শক্তি আপনারা, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ। দোয়া ও ভোট দিয়ে আমাকে সুযোগ দিলে আমি আপনাদের আমানতের খেয়ানত করব না। বাবার সম্মান আমি ধরে রাখব ইনশাআল্লাহ।
এদিকে আসাদের প্রার্থীতার খবরে ওয়ার্ডের যুবক ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন বাবার মতো ছেলেও এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শফিকুল ইসলাম শফিক,সুনামগঞ্জ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এলাকার পরিচিত মুখ ও বিএনপির রাজনীতির সাথে পরিপূর্ণভাবে জড়িত মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম আসাদ ।
তিনি এলাকার সাবেক জনপ্রিয় মেম্বার মরহুম মোঃ আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার সুযোগ্য সন্তান। বাবার জনসেবার আদর্শ বুকে ধারণ করেই আসাদ মানুষের সেবা করতে চান।
স্থানীয়ভাবে সৎ, বিনয়ী ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত আসাদ খুব শিগগিরই ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, যুব সমাজের বেকারত্ব ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিক ও প্রবীণ মুরব্বিরা বলেন, "আসাদ ছোটবেলা থেকেই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে। কোনোদিন কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি। সে বিএনপির নিবেদিত কর্মী এবং সাবেক মেম্বার আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। বাপ-বেটা দুইজনই জনগণের সেবক। আমাদের বিশ্বাস ও যদি মেম্বার হয়, তাহলে ৬নং ওয়ার্ডের চেহারা পাল্টে যাবে।
প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম আসাদ আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে বলেন,
"আমি এই মাটির সন্তান। এই ৬নং ওয়ার্ডের রাস্তায় আমি বড় হয়েছি। আমার বাবা মরহুম আব্দুল কুদ্দুস মিয়া এই ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন। উনি সারাজীবন মানুষের সেবা করে গেছেন। বাবার রেখে যাওয়া সেই আদর্শ নিয়েই আমি রাজনীতি করি।
আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে লালন করি। মানুষের কষ্ট আমি নিজের চোখে দেখেছি। গরীবের ঘরে খাবার নাই, ছেলেরা কাজ পায় না, রাস্তায় কাদা-পানি-এই কষ্টগুলো আমাকে ঘুমাতে দেয় না।
যদি আপনারা আমাকে আপনাদের সেবক হিসেবে সুযোগ দেন, আমি কথা দিচ্ছি - চেয়ারের লোভে নয়, মানুষের সেবার জন্য কাজ করব। বাবার মতোই সবার বিপদে-আপদে পাশে থাকব। রাত ১২টায়ও যদি কেউ ডাক দেয়, আসাদকে পাশে পাবেন। আমার দরজা সবার জন্য খোলা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, "আমার কোনো বড় নেতা নাই, টাকা নাই। আমার শক্তি আপনারা, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ। দোয়া ও ভোট দিয়ে আমাকে সুযোগ দিলে আমি আপনাদের আমানতের খেয়ানত করব না। বাবার সম্মান আমি ধরে রাখব ইনশাআল্লাহ।
এদিকে আসাদের প্রার্থীতার খবরে ওয়ার্ডের যুবক ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন বাবার মতো ছেলেও এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন