নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুর থানা পুলিশের অভিযানে অজ্ঞান পার্টির দুইজন সক্রিয় সদস্য ইমরান খান ও আব্দুল মুসাকে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চেতনানাশক বিভিন্ন সামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ইমরান খান নাটোরের গুরুদাসপুর থানার ধারাবারিষা ইউনিয়নের উদবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ও আব্দুল মুসা খুলনার দাকুপ থানার টিলভাঙ্গা ইউনিয়নের বুটবুনিয়া গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে। গতকাল বুধবার রাতে খুলনার বটিয়াঘাটা থানা এলাকা এবং সোনাডাঙ্গা থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান,গত ২৬ আগষ্ট নাটোরের লালপুরের গোপালপুর রেল গেইট সংলগ্ন ভাই ভাই ফল ভান্ডার দোকানে
অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি গিয়ে ফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেয়। পরে পাইকারী ফল বিক্রয় করার কথা বলে এবং তার কাছে থাকা ডাব, তরমুজ সহ বিভিন্ন ফলের কোয়ালিটি দেখায়। এর পর সেখান কিছু ফল কেটে খেয়ে পরিক্ষা করার কথা বলেন। কিন্তু দোকানী ও তার ব্যবসায়ীক পার্টনার খেতে রাজি না হলে কাছে থাকা ডাবের পানি পান করার জন্য বললে সরল বিশ্বাসে তারা সেই ডাবের পানি পান করার কিছুক্ষনের মধ্যেই অচেতন হয়ে। এই সুযোগে দোকানীর কাছে থাকা ব্যবসার নগদ এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির সদস্য। দীর্ঘ সময় দোকানীদের অচেতন থাকা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে আশেপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় ফল ব্যবসায়ী রাসেল আহমেদ বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায় ১৬সেপ্টেম্বর রাতে খুলনার সোনাডাঙ্গা ও বাটিয়াঘাটা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আজ ১৭ সেপ্টম্বর বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে জানায় লালপুর থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুর থানা পুলিশের অভিযানে অজ্ঞান পার্টির দুইজন সক্রিয় সদস্য ইমরান খান ও আব্দুল মুসাকে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চেতনানাশক বিভিন্ন সামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ইমরান খান নাটোরের গুরুদাসপুর থানার ধারাবারিষা ইউনিয়নের উদবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ও আব্দুল মুসা খুলনার দাকুপ থানার টিলভাঙ্গা ইউনিয়নের বুটবুনিয়া গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে। গতকাল বুধবার রাতে খুলনার বটিয়াঘাটা থানা এলাকা এবং সোনাডাঙ্গা থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান,গত ২৬ আগষ্ট নাটোরের লালপুরের গোপালপুর রেল গেইট সংলগ্ন ভাই ভাই ফল ভান্ডার দোকানে
অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি গিয়ে ফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেয়। পরে পাইকারী ফল বিক্রয় করার কথা বলে এবং তার কাছে থাকা ডাব, তরমুজ সহ বিভিন্ন ফলের কোয়ালিটি দেখায়। এর পর সেখান কিছু ফল কেটে খেয়ে পরিক্ষা করার কথা বলেন। কিন্তু দোকানী ও তার ব্যবসায়ীক পার্টনার খেতে রাজি না হলে কাছে থাকা ডাবের পানি পান করার জন্য বললে সরল বিশ্বাসে তারা সেই ডাবের পানি পান করার কিছুক্ষনের মধ্যেই অচেতন হয়ে। এই সুযোগে দোকানীর কাছে থাকা ব্যবসার নগদ এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির সদস্য। দীর্ঘ সময় দোকানীদের অচেতন থাকা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে আশেপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় ফল ব্যবসায়ী রাসেল আহমেদ বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায় ১৬সেপ্টেম্বর রাতে খুলনার সোনাডাঙ্গা ও বাটিয়াঘাটা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আজ ১৭ সেপ্টম্বর বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে জানায় লালপুর থানা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন