স্টাফ রিপোর্টার
তাহিরপুরে তিন শিশু সন্তানকে বিষপান করিয়ে বাবা নিজে বিষপান করেছেন। এতে তিন শিশুরই মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মুমূর্ষু অবস্থায় পিতাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার ভোররাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনী লাইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময়ে ওই পিতা তার তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে নিজেও বিষপান করেন। সকালে বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশী ও স্বজনরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তিন শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন। পিতার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত তিন শিশুর নাম-পরিচয় ও বয়স জানা সম্ভব হয়নি। তবে কী কারণে এই নির্মম ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছে, সে বিষয়েও এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হোসাইন মোহাম্মদ আরাফাত জানান, খুব ভোরে খবর পেয়ে আমরা বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে গিয়ে তিন শিশুর লাশ দেখতে পাই। গুরুতর আহত পিতাকে স্বজনরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। নিহতদের নাম-পরিচয় এবং বিষপানের সুনির্দিষ্ট কারণ বের করতে পুলিশ কাজ করছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার
তাহিরপুরে তিন শিশু সন্তানকে বিষপান করিয়ে বাবা নিজে বিষপান করেছেন। এতে তিন শিশুরই মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মুমূর্ষু অবস্থায় পিতাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার ভোররাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনী লাইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময়ে ওই পিতা তার তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে নিজেও বিষপান করেন। সকালে বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশী ও স্বজনরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তিন শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন। পিতার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত তিন শিশুর নাম-পরিচয় ও বয়স জানা সম্ভব হয়নি। তবে কী কারণে এই নির্মম ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছে, সে বিষয়েও এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হোসাইন মোহাম্মদ আরাফাত জানান, খুব ভোরে খবর পেয়ে আমরা বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে গিয়ে তিন শিশুর লাশ দেখতে পাই। গুরুতর আহত পিতাকে স্বজনরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। নিহতদের নাম-পরিচয় এবং বিষপানের সুনির্দিষ্ট কারণ বের করতে পুলিশ কাজ করছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন