নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অভিযান চালিয়ে জোড়া জিআর পরোয়ানাভুক্ত এক সাজাপ্রাপ্ত ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য মোঃ বশির আহমেদকে (৪২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলী আকবর বাবুল ও সঙ্গীয় ফোর্স কনস্টেবল তোহেল আহমদের একটি আভিযানিক দল এই সফলতা অর্জন করে।
গ্রেফতারকৃত বশির আহমেদ উপজেলার দোয়ারাবাজার ইউনিয়নের রামপুর (আমবাড়ী) এলাকার মৃত জোনাব আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও সশস্ত্র ছিনতাইয়ের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার দুটি পৃথক ডাকাতি মামলায় (জিআর-১২৯/২৪, ধারা-৩৯৫ এবং জিআর-১৫২/২২, ধারা-৩৯৫/৩৯৭/৪১২) আদালত বশিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। এর পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
গ্রেফতারের পর ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) পর্যালোচনা করে পুলিশ জানায়, ওই আসামির বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের একাধিক জেলায় অন্তত ৮টি গুরুতর ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানায় ৩টি, কমলগঞ্জ থানায় ২টি, জুড়ী থানায় ১টি, হবিগঞ্জের বাহুবল থানায় ১টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানায় ১টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার বেশিরভাগই সশস্ত্র ডাকাতি, ছিনতাই ও লুণ্ঠিত মালামাল হেফাজতে রাখার অভিযোগে পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, আসামির বিরুদ্ধে অন্যান্য আদালত থেকেও আরও একাধিক গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, অপরাধ দমন ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে কড়া পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অভিযান চালিয়ে জোড়া জিআর পরোয়ানাভুক্ত এক সাজাপ্রাপ্ত ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য মোঃ বশির আহমেদকে (৪২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলী আকবর বাবুল ও সঙ্গীয় ফোর্স কনস্টেবল তোহেল আহমদের একটি আভিযানিক দল এই সফলতা অর্জন করে।
গ্রেফতারকৃত বশির আহমেদ উপজেলার দোয়ারাবাজার ইউনিয়নের রামপুর (আমবাড়ী) এলাকার মৃত জোনাব আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও সশস্ত্র ছিনতাইয়ের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার দুটি পৃথক ডাকাতি মামলায় (জিআর-১২৯/২৪, ধারা-৩৯৫ এবং জিআর-১৫২/২২, ধারা-৩৯৫/৩৯৭/৪১২) আদালত বশিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। এর পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
গ্রেফতারের পর ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) পর্যালোচনা করে পুলিশ জানায়, ওই আসামির বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের একাধিক জেলায় অন্তত ৮টি গুরুতর ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানায় ৩টি, কমলগঞ্জ থানায় ২টি, জুড়ী থানায় ১টি, হবিগঞ্জের বাহুবল থানায় ১টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানায় ১টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার বেশিরভাগই সশস্ত্র ডাকাতি, ছিনতাই ও লুণ্ঠিত মালামাল হেফাজতে রাখার অভিযোগে পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, আসামির বিরুদ্ধে অন্যান্য আদালত থেকেও আরও একাধিক গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুর প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, অপরাধ দমন ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে কড়া পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন