বিশেষ প্রতিনিধি: শফিকুল ইসলাম শফিক
মানিকগঞ্জের কৃতী সন্তান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মানিকগঞ্জ সদর থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা ও দাফন-পূর্ব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মাঠে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে সেখানেই তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে বুধবার রাতে ঢাকার শ্যামলীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন সাহসী ও আদর্শবান মুক্তিযোদ্ধা। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তাঁর মৃত্যুতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার একজন অভিভাবককে হারালো।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এলাকার গর্ব। বিপদে-আপদে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল হোসেনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। এক শোকবার্তায় সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি: শফিকুল ইসলাম শফিক
মানিকগঞ্জের কৃতী সন্তান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মানিকগঞ্জ সদর থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা ও দাফন-পূর্ব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মাঠে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে সেখানেই তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে বুধবার রাতে ঢাকার শ্যামলীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন সাহসী ও আদর্শবান মুক্তিযোদ্ধা। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তাঁর মৃত্যুতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার একজন অভিভাবককে হারালো।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এলাকার গর্ব। বিপদে-আপদে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল হোসেনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবুল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। এক শোকবার্তায় সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন