স্টাপ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের হাওরবেষ্টিত জামালগঞ্জ উপজেলায় অতিবৃষ্টি ও আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘কারিতাস বাংলাদেশ’। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জরুরি জীবন-জীবিকা সচল ও কৃষি পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ) উপজেলার দুটি ইউনিয়নে নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়।
জামালগঞ্জে চলতি বছরে বোর মৌসুমে পর পর দুই দফা অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০ টি কৃষক পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।বুধবারে উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়ন ও জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এতে ৩২০ পরিবারের মধ্যে মোট ৩২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। কারিতাস বাংলাদেশের জুনিয়র কর্মসূচি কর্মকর্তা স্বপন নায়েকের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক কর্মকর্তা ডেন্সিল পডুয়েং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রতিনিধি, কারিতাসের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ও উপকার ভোগীরা। সিআরএস,কেফোর্ড ও কারিতাস অস্ট্রেলিয়ার অর্থায়নে
কারিতাস বাংলাদেশের সহায়তায় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে সহায়তার জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পাড়া কার্বারি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক যাচাই-বাছাই করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০ পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত পরিবারের প্রত্যেকে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, কৃষি ও দৈনন্দিন জীবনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে এ অর্থ সহায়তা কিছুটা হলেও কাজে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্টাপ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের হাওরবেষ্টিত জামালগঞ্জ উপজেলায় অতিবৃষ্টি ও আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘কারিতাস বাংলাদেশ’। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জরুরি জীবন-জীবিকা সচল ও কৃষি পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ) উপজেলার দুটি ইউনিয়নে নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়।
জামালগঞ্জে চলতি বছরে বোর মৌসুমে পর পর দুই দফা অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০ টি কৃষক পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।বুধবারে উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়ন ও জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এতে ৩২০ পরিবারের মধ্যে মোট ৩২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। কারিতাস বাংলাদেশের জুনিয়র কর্মসূচি কর্মকর্তা স্বপন নায়েকের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক কর্মকর্তা ডেন্সিল পডুয়েং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রতিনিধি, কারিতাসের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ও উপকার ভোগীরা। সিআরএস,কেফোর্ড ও কারিতাস অস্ট্রেলিয়ার অর্থায়নে
কারিতাস বাংলাদেশের সহায়তায় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে সহায়তার জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পাড়া কার্বারি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক যাচাই-বাছাই করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০ পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত পরিবারের প্রত্যেকে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, কৃষি ও দৈনন্দিন জীবনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে এ অর্থ সহায়তা কিছুটা হলেও কাজে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আপনার মতামত লিখুন