রক্তি নিউজ

সারাদেশ

উচ্চ বেতনের প্রলোভনে ভারতে পাচারকালে জাফলং সীমান্ত থেকে নারীসহ আটক ৭

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
উচ্চ বেতনের প্রলোভনে ভারতে পাচারকালে জাফলং সীমান্ত থেকে নারীসহ আটক ৭

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি,সানোয়ার হোসাইন 

উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পাচারের প্রাক্কালে ২ নারীসহ ৭ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। গত ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বেলা ১১টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুরি বড়ইতলা গ্রাম থেকে তাদের উদ্ধার ও আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের হাবিব হাওলাদারের ছেলে মোঃ সাইফুল (২১), খুলনা জেলার দিগলদিয়া থানার বাগমারা গ্রামের হুমায়ুন শিকদারের ছেলে মোঃ রাব্বি শিকদার (১৭), খুলনা জেলার কাজিগঞ্জ মোগলা গ্রামের রিয়াদুলের ছেলে মোঃ কাউছার (১৬), বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের বাবুল মোল্লার ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (১৮), একই জেলার মোড়লগঞ্জ থানার নিশানবাড়িয়া গ্রামের মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক'র ছেলে মোঃ পারভেজ হাসান (২১), নড়াইল জেলার কালিয়া জেলার ভমবাগ গ্রামের সুরত আলীর মেয়ে শম্পা (২৪) ও ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী সুতারপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের মেয়ে মুন্নি (১৬)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাত এক দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের বেতনের আশায় তারা প্রথমে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র জাফলং এলাকায় আসেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুই নারীকে ভারতের বাসাবাড়িতে মাসিক ৫০ হাজার টাকা এবং ৫ যুবককে ভারতের বিভিন্ন কোম্পানিতে মাসিক ৩৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পরবর্তীতে মিজান নামের এক ব্যক্তি তাদের নলজুরি বড়ইতলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে নিয়ে আসে এবং সেখানে তারা অবৈধ উপায়ে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন। 

বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করার বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে গোয়াইনঘাট থানার তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তাদের পুলিশ হেফাজতে নেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ওমর ফারুক জানান, উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে ওই ৭ নাগরিক নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। এই চক্রের পেছনে থাকা দালালদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

রক্তি নিউজ

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


উচ্চ বেতনের প্রলোভনে ভারতে পাচারকালে জাফলং সীমান্ত থেকে নারীসহ আটক ৭

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি,সানোয়ার হোসাইন 

উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পাচারের প্রাক্কালে ২ নারীসহ ৭ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। গত ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) বেলা ১১টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের নলজুরি বড়ইতলা গ্রাম থেকে তাদের উদ্ধার ও আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের হাবিব হাওলাদারের ছেলে মোঃ সাইফুল (২১), খুলনা জেলার দিগলদিয়া থানার বাগমারা গ্রামের হুমায়ুন শিকদারের ছেলে মোঃ রাব্বি শিকদার (১৭), খুলনা জেলার কাজিগঞ্জ মোগলা গ্রামের রিয়াদুলের ছেলে মোঃ কাউছার (১৬), বাগেরহাট জেলার বকুলতলা গ্রামের বাবুল মোল্লার ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (১৮), একই জেলার মোড়লগঞ্জ থানার নিশানবাড়িয়া গ্রামের মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক'র ছেলে মোঃ পারভেজ হাসান (২১), নড়াইল জেলার কালিয়া জেলার ভমবাগ গ্রামের সুরত আলীর মেয়ে শম্পা (২৪) ও ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী সুতারপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের মেয়ে মুন্নি (১৬)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাত এক দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের বেতনের আশায় তারা প্রথমে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র জাফলং এলাকায় আসেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুই নারীকে ভারতের বাসাবাড়িতে মাসিক ৫০ হাজার টাকা এবং ৫ যুবককে ভারতের বিভিন্ন কোম্পানিতে মাসিক ৩৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পরবর্তীতে মিজান নামের এক ব্যক্তি তাদের নলজুরি বড়ইতলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের বাড়িতে নিয়ে আসে এবং সেখানে তারা অবৈধ উপায়ে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন। 

বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করার বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে গোয়াইনঘাট থানার তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তাদের পুলিশ হেফাজতে নেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ওমর ফারুক জানান, উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে ওই ৭ নাগরিক নলজুরি বড়ইতলা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। এই চক্রের পেছনে থাকা দালালদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।


রক্তি নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. হাবিবুর রহমান।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত রক্তি নিউজ