স্টাপ রিপোর্টার :
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অবাধ, সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নোয়াগাঁও বাজারের আজিজ মার্কেটে বিএনপি কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ২৫৩ জন। এর মধ্যে ২৫০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই প্রার্থী। মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৫২ ভোট পেয়ে মো. জহুর মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলী হোসেন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫ ভোট।সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থীর মধ্যে আনারস প্রতীকে ১১০ ভোট পেয়ে কামরুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আলীনুর রিকশা প্রতীকে ৫৭ ভোট, সাজিদুল হক ছাতা প্রতীকে ৪১ ভোট এবং মিহির রঞ্জন দাস চেয়ার প্রতীকে ৩৭ ভোট পেয়েছেন।সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ৮২ ভোট পেয়ে মহিম উদ্দীন নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রেজাউল করিম রেজা কেটলি প্রতীকে ৭০ ভোট, রাসেল আহমেদ কলস প্রতীকে ৬৪ ভোট এবং জহুর আলম চৌধুরী মই প্রতীকে ২৯ ভোট পেয়েছেন।কোষাধ্যক্ষ পদে তালাচাবি প্রতীকে ১৩৩ ভোট পেয়ে জিয়াউর রহমান জিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেল আহমেদ দেয়ালঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১১০ ভোট।ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে তাজবিহ প্রতীকে ১৬১ ভোট পেয়ে আজিজুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী লুৎফুর রহমান জায়নামাজ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪ ভোট।নির্বাচন পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন আখলাকুল আম্বিয়া শিরিন। যুগ্ম নির্বাচন কমিশনার ছিলেন আব্দুল মুকিত। সহকারী নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন রেজাউল করিম কাপ্তান, হাফিজুর রহমান ও নজরুল ইসলাম। প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভীমখালী ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা অজিত কুমার রায়। পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন হারুন অর রশিদ আকন্দ, হারিছ উদ্দিন, সৈয়দ আহমদ ও জিয়াউল হক।নির্বাচন পরিদর্শন করেন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মো. শফিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব, ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান তালুকদার, যুবদলের আহ্বায়ক মুজাম্মেল হক স্বপন এবং ভীমখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী হোসেনসহ অনেকে।এ সময় তারা বলেন, নির্বাচনে হার-জিত থাকবে এবং তা সবাইকে মেনে নিতে হবে। বিজয়ীদের বাজারের উন্নয়ন এবং ব্যবসায়ীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে নির্বাচনের পর কোনো ধরনের সহিংসতায় না জড়িয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে চলার পরামর্শ দেন। তারা বলেন, সবাই একই প্ল্যাটফর্মের মানুষ। মিলেমিশে চললে বাজারের উন্নয়ন সম্ভব হবে।নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ ও ইউনিয়ন পরিষদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকেও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন।দিনভর ভোটগ্রহণ চলে উৎসবমুখর পরিবেশে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। পরে বিকাল ৫টায় সবার সম্মতিক্রমে প্রিজাইডিং অফিসার অজিত কুমার রায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
স্টাপ রিপোর্টার :
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অবাধ, সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নোয়াগাঁও বাজারের আজিজ মার্কেটে বিএনপি কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ২৫৩ জন। এর মধ্যে ২৫০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই প্রার্থী। মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৫২ ভোট পেয়ে মো. জহুর মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলী হোসেন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫ ভোট।সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থীর মধ্যে আনারস প্রতীকে ১১০ ভোট পেয়ে কামরুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আলীনুর রিকশা প্রতীকে ৫৭ ভোট, সাজিদুল হক ছাতা প্রতীকে ৪১ ভোট এবং মিহির রঞ্জন দাস চেয়ার প্রতীকে ৩৭ ভোট পেয়েছেন।সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ৮২ ভোট পেয়ে মহিম উদ্দীন নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রেজাউল করিম রেজা কেটলি প্রতীকে ৭০ ভোট, রাসেল আহমেদ কলস প্রতীকে ৬৪ ভোট এবং জহুর আলম চৌধুরী মই প্রতীকে ২৯ ভোট পেয়েছেন।কোষাধ্যক্ষ পদে তালাচাবি প্রতীকে ১৩৩ ভোট পেয়ে জিয়াউর রহমান জিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সোহেল আহমেদ দেয়ালঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১১০ ভোট।ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে তাজবিহ প্রতীকে ১৬১ ভোট পেয়ে আজিজুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী লুৎফুর রহমান জায়নামাজ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪ ভোট।নির্বাচন পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন আখলাকুল আম্বিয়া শিরিন। যুগ্ম নির্বাচন কমিশনার ছিলেন আব্দুল মুকিত। সহকারী নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন রেজাউল করিম কাপ্তান, হাফিজুর রহমান ও নজরুল ইসলাম। প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভীমখালী ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা অজিত কুমার রায়। পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন হারুন অর রশিদ আকন্দ, হারিছ উদ্দিন, সৈয়দ আহমদ ও জিয়াউল হক।নির্বাচন পরিদর্শন করেন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মো. শফিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব, ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান তালুকদার, যুবদলের আহ্বায়ক মুজাম্মেল হক স্বপন এবং ভীমখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী হোসেনসহ অনেকে।এ সময় তারা বলেন, নির্বাচনে হার-জিত থাকবে এবং তা সবাইকে মেনে নিতে হবে। বিজয়ীদের বাজারের উন্নয়ন এবং ব্যবসায়ীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে নির্বাচনের পর কোনো ধরনের সহিংসতায় না জড়িয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে চলার পরামর্শ দেন। তারা বলেন, সবাই একই প্ল্যাটফর্মের মানুষ। মিলেমিশে চললে বাজারের উন্নয়ন সম্ভব হবে।নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ ও ইউনিয়ন পরিষদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকেও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন।দিনভর ভোটগ্রহণ চলে উৎসবমুখর পরিবেশে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। পরে বিকাল ৫টায় সবার সম্মতিক্রমে প্রিজাইডিং অফিসার অজিত কুমার রায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন