স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে স্থানীয় সার, বীজ ও কীটনাশক ব্যবসায়ী এবং বাজার কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় সভা ও বাজার প্রচার বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়নের দুর্লভপুর বাজারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশের ইএলএসআরপি প্রকল্পের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের উৎপাদিত সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় বাজারে কৃষিপণ্যের পরিসর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সভার আয়োজন করা হয়।দুর্লভপুর বাজার কমিটির সভাপতি হাজী এমদাদুল হক আফিন্দীর সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন কারিতাস বাংলাদেশ ইএলএসআরপি প্রকল্পের মাঠ সহায়ক কল্যাণ ব্রত তালুকদার। সভায় মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কারিতাস বাংলাদেশ ইএলএসআরপি প্রকল্পের জুনিয়র কর্মসূচি কর্মকর্তা স্বপন নায়েক।স্বপন নায়েক বলেন, কারিতাস বাংলাদেশের ইএলএসআরপি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি উৎপাদিত কৃষিপণ্যের বাজারসংযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে উৎপাদিত সবজি ও ফসল স্থানীয় বাজারে সহজে বিক্রি করতে পারেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমে, সে লক্ষ্যেই ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের মান, নিরাপদ উৎপাদন পদ্ধতি এবং বাজারের চাহিদার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদন পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি ও ফসলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। এ ধরনের নিরাপদ কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।স্বপন নায়েক বলেন, কৃষক, ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে একদিকে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ভালো বাজার পাবেন, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও স্থানীয়ভাবে মানসম্মত কৃষিপণ্য সংগ্রহের সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং স্থানীয় কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।সভায় কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা, স্থানীয় বাজারে কৃষকদের উৎপাদিত সবজি ও ফসল বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি, নিরাপদ ও জৈব কৃষিপণ্যের প্রচার এবং বাজার সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।দুর্লভপুর বাজার কমিটির সভাপতি হাজী এমদাদুল হক আফিন্দী বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত সবজি ও ফসল বাজারজাতকরণে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি এবং জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করতে কারিতাস বাংলাদেশের কার্যক্রম প্রশংসনীয়। আমাদের এলাকায় ইএলএসআরপি প্রকল্প কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।সভায় স্থানীয় সার, বীজ ও কীটনাশক ব্যবসায়ী, বাজার কমিটির সদস্য এবং কারিতাস বাংলাদেশের ইএলএসআরপি প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে স্থানীয় সার, বীজ ও কীটনাশক ব্যবসায়ী এবং বাজার কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় সভা ও বাজার প্রচার বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়নের দুর্লভপুর বাজারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশের ইএলএসআরপি প্রকল্পের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের উৎপাদিত সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় বাজারে কৃষিপণ্যের পরিসর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সভার আয়োজন করা হয়।দুর্লভপুর বাজার কমিটির সভাপতি হাজী এমদাদুল হক আফিন্দীর সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন কারিতাস বাংলাদেশ ইএলএসআরপি প্রকল্পের মাঠ সহায়ক কল্যাণ ব্রত তালুকদার। সভায় মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কারিতাস বাংলাদেশ ইএলএসআরপি প্রকল্পের জুনিয়র কর্মসূচি কর্মকর্তা স্বপন নায়েক।স্বপন নায়েক বলেন, কারিতাস বাংলাদেশের ইএলএসআরপি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি উৎপাদিত কৃষিপণ্যের বাজারসংযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে উৎপাদিত সবজি ও ফসল স্থানীয় বাজারে সহজে বিক্রি করতে পারেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমে, সে লক্ষ্যেই ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের মান, নিরাপদ উৎপাদন পদ্ধতি এবং বাজারের চাহিদার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদন পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি ও ফসলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। এ ধরনের নিরাপদ কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।স্বপন নায়েক বলেন, কৃষক, ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে একদিকে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ভালো বাজার পাবেন, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও স্থানীয়ভাবে মানসম্মত কৃষিপণ্য সংগ্রহের সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং স্থানীয় কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।সভায় কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা, স্থানীয় বাজারে কৃষকদের উৎপাদিত সবজি ও ফসল বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি, নিরাপদ ও জৈব কৃষিপণ্যের প্রচার এবং বাজার সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।দুর্লভপুর বাজার কমিটির সভাপতি হাজী এমদাদুল হক আফিন্দী বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত সবজি ও ফসল বাজারজাতকরণে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি এবং জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করতে কারিতাস বাংলাদেশের কার্যক্রম প্রশংসনীয়। আমাদের এলাকায় ইএলএসআরপি প্রকল্প কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।সভায় স্থানীয় সার, বীজ ও কীটনাশক ব্যবসায়ী, বাজার কমিটির সদস্য এবং কারিতাস বাংলাদেশের ইএলএসআরপি প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন